তিলাওয়াত শোনার সময হলুদ চিহ্নিত স্থানে মনযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন তিলাওয়াতকারী কীভাবে ১ম আয়াতের শেষের অক্ষর ২য় আয়াতের ১ম সাকিন অক্ষরের সাথে মিলিয়ে পড়ছেন। এভাবে পড়লে আয়াত শুরুর খালি আলিফ আর পড়ার প্রয়োজন নেই।
বোঝার চেষ্টা করুন তিলাওয়াতকারী কীভাবে 'মান' শব্দটির পর দম না ছেড়ে কিছুক্ষণ নীরব থেকে 'সাকতাহ' আদায় করে পরবর্তী শব্দ পড়ছেন, এবং নীল ওয়াকফে তামের উপর হলুদ 'লা ওয়াকফে আলাইহ্' থাকার পরও সেখানে দম ছেড়ে দিয়ে আরজি সাকিন করে পড়ছেন । মনে রাখবেন, لا 'লা ওয়াকফে আলাইহ্' ওয়াকফে তামের উপর থাকলে সেখানে থামা যাবে।
লক্ষ্য করুন তিলাওয়াতকারী কীভাবে নীল অক্ষরে আরজি সাকিনের স্বাভাবিক উচ্চারণ করছেন আর কীভাবে লাল ‘তাশদীদ’ অক্ষরে আরজি সাকিন করার সময় ‘বাড়তি’ কিছু সময় নিয়ে অক্ষরটি দুইবার উচ্চারণের মতো করছেন।
এটি সূরা হুমাযাহ এর ১ম আয়াত যার শেষে ‘নুনে কুতনী’ আছে কারণ ২য় আয়াতে ‘খালি আলিফের’ পর তাশদীদ আছে, কিন্তু তিলাওয়াতকারী ১ম আয়াতে ‘দম ছেড়ে দেয়ার কারণে’ আর ‘নুনে কুতনী পড়েননি, বরং ‘গোল তা’ —এ দম ফেলার কারণে ‘গোল হা সাকিন’ (লেসন—৩৯ দ্র:) পড়ে দম ছেড়ে দিয়েছেন।
তিলাওয়াত শোনার সময় খেয়াল রাখুন তিলাওয়াতকারী কীভাবে নীল ক্বলক্বলার অক্ষরগুলোকে লাল সাকিনের কারণে ও হলুদ হারকাত ২টিকে আরজি সাকিন করে নিয়ে একবার 'প্রতিধ্বনির' মতো করে 'ক্বলক্বলাহ' আদায় করছেন।