Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Step4

আলিফ মাকুসূরা -তে ১ আলিফ টানের উদাহরণ

  লাল চিহ্নিত স্থানে লক্ষ্য রাখুন 'আলিফ মাকুসূরা' -তে তিলাওয়াতকারী কীভাবে '১আলিফ' টেনে পড়ছেন ।

আলিফ জায়িদা ও আনা মাদ না করার উদাহরণ

  তিলাওয়াত শোনার সময় খেয়াল রাখুন তিলাওয়াতকারী মাদে আসলীর মতো দেখতে 'আলিফ জায়িদা'র স্থানে ১ আলিফ টেনে পড়ছেন না।

মাদে লাযিম লীন এর উদাহরণ

  উপরে সূরা মারইয়ামের আয়াতটিতে দেখুন লাল আ’ইন অক্ষরটির উপরে ৪/৫ আলিফ মাদের চিহ্ন দেয়া আছে, কিন্তু ‘দৃশ্যগতভাবে’ সেখানে কোন ‘মাদ’ দেখা যাচ্ছে না। তাই এখন দেখতে হবে আ’ইন অক্ষরের বানানের মধ্যে কোন মাদ আছে কিনা। বক্সে দেখুন আ’ইন অক্ষরটির বানান দেয়া আছে, আর সেখানে নীল চিহ্নিত ‘মাদে লীন’ (লেসন—২১ দ্র:) দেখা যাচ্ছে (যাবারের বামে ইয়া সাকিন), আর তার পাশেই দেখা যাচ্ছে একটি লাল সাকিন। এটাকেই অর্থাৎ ‘মাদে লীনের’ বামে ‘আসলী সাকিন’ থাকলে তাকে ‘মাদে লাযিম লীন’ বলা হয়, যা ৪/৫ আলিফ টেনে পড়তে হয়।

মাদে লাযিম হারফি মুস্বাকক্বল এর উদাহরণ

  বক্সে ডান দিক থেকে ১ম অংশে সূরা বাকারার ১ম আয়াতটি দেয়া আছে, লক্ষ্য করুন মীমের উপর একটি তাশদীদ (লাল) আছে, যার উপরে ৪/৫ আলিফ মাদের চিহ্ন দেয়া আছে অথচ ‘দৃশ্যগতভাবে’ সেখানে কোন মাদ দেখা যাচ্ছে না, যেহেতু সূরার শুরুতে ‘খালি অক্ষরের বানানের মধ্যে’ মাদ থাকলে মাদ করতে হয়, তাই এবার বক্সের ২য় অংশে লক্ষ্য করুন সেখানে ‘লাম’ ও ‘মীমের’ বানান দেয়া আছে, ‘লাম’ বানানের শেষে ‘মীম সাকিন’ আর ‘মীম’ বানানের শুরুতে ‘মীম’ অক্ষর আছে, এখন তাজবীদের একটি নিয়ম অনুযায়ী যাকে ‘মীম সাকিনের ইদগম’ (লেসন—৭৫ দ্র:) বলা হয়, সেই অনুযায়ী ‘মীম সাকিনের’ পরে যদি ‘মীম’ অক্ষর থাকে তাহলে সেই ‘মীমে’ তাশদীদ থাক আর না থাক তাতে ‘তাশদীদ’ বসিয়ে নিয়ে পড়তে হবে। এখানে যেহেতু সেই নিয়মের শর্ত মিলে গেছে তাই ‘মীম’ বানানের ১ম ‘মীমে’ তাশদীদ বসিয়ে দেয়া হয়েছে, আর তখনই লক্ষ্য করুন নীল চিহ্নিত ‘মাদে আসলীর’ বামে ‘তাশদীদ’ দেখা যাচ্ছে, আর এটাকেই মাদে লাযিম হারফি মুস্বাকক্বল বলা হয়, যা ৪/৫ আলিফ টেনে পড়তে হয়।

মাদে লাযিম কালমী মুস্বাকক্বল এর উদাহরণ

  আয়াতটিতে লক্ষ্য করুন, মাদে আসলীর (নীল) বামে তাশদীদ (লাল) থাকায় তার উপর ৪/৫ আলিফ দীর্ঘ করার নির্দেশনা চিহ্ন (হলুদ) দেয়া হয়েছে।

মাদে লাযিম হারফি মুখাফফাফ এর উদাহরণ

  আয়াতটিতে লক্ষ্য করুন, লাল ‘লাম’ অক্ষরটির উপরে ‘৪ আলিফ’ (হলুদ) মাদের চিহ্ন দেয়া আছে, কিন্তু ‘দৃশ্যগতভাবে’ সেখানে কোন ‘মাদ’ দেখা যাচ্ছে না। এটার কারণ হলো, কুরআনে বিভিন্ন সূরা’র শুরুতে ‘যের/যাবার/পেশ’ ছাড়া যে ‘খালি অক্ষরগুলো’ থাকে, সেই ‘অক্ষরগুলো’ স্ব স্ব উচ্চারণে পড়তে হয়। এদিকে আরবী প্রতিটি অক্ষরেরই ‘বানানগত’ রুপ আছে, এবং অক্ষরগুলোর বানানের মধ্যেও যদি কোন ‘মাদের শর্ত’ পূর্ণ হয়, তাহলে সেখানে সে ‘মাদ’ অনুযায়ী ‘টেনে’ পড়তে হয়, উদাহরণস্বরুপ ‘আলিফ’ অক্ষরটির বানান হলো এটা اَلِفْ যেখানে কোন মাদ নেই, যার ফলে উপরের আয়াতের শুরুতে যে ‘খালি আলিফ’ আছে তাতে কোন মাদ চিহ্ন দেয়া হয়নি। এভাবে ‘লাম’ অক্ষরটির বানান হলো এটা لَامْ এখানে লক্ষ্য করুন, নীল অংশটুকু ‘মাদে আসলী’ আর তার বামে আছে ‘সাকিন অক্ষর’, যার ফলে এটা এখন ‘মাদে লাযিমের’ শর্তের সাথে মিলে যাচ্ছে (মাদে আসলীর বামে সাকিন অক্ষর), আর এটা যেহেতু সংগঠিত হচ্ছে ‘হরফ’ বা ‘অক্ষরের’ বানানের মধ্যে তাই একে বলা হয় ‘মাদে লাযিম হারফি মুখাফ্ফাফ’, যা ৪ থেকে ৫ আলিফ পরিমাণ টেনে পড়তে হয়।

মাদে লাযিম কালমী মুখাফফাফ এর উদাহরণ

  আয়াতটিতে দেখুন, একটি শব্দের বানানে নীল মাদে আসলীর বামে লাল চিহ্নিত ‘সাকিন অক্ষর’ থাকায় তার উপর মাদের চিহ্ন (হলুদ) দিয়ে ‘৪/৫ আলিফ’ টেনে পড়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাদে সিলাহ ক্বসীরা ও ত্বয়িলা'র উদাহরণ

    আয়াত দুটিতে লক্ষ্য করুন। নীল দুটি ‘মাদে সিলাহ ক্বসীরা’ কারণ ‘হা—এ—জমীরে’র বাম পাশের শব্দ ‘হামজা’ দিয়ে শুরু হয়নি এবং সেখানে দম ফেলারও কোন কারণ নেই, তাই নীল দুটি ‘১ আলিফ’ টেনে ‘মাদে সিলাহ ক্বসীরা’ আদায় করে পড়তে হবে, আর সবুজ চিহ্নিতটিও ‘হা—এ—জমীর’ কিন্তু সেখানে ‘দম ফেলার’ কারণে আর কোন মাদ না করে ‘আরজি সাকিন’ করে পড়তে হবে। অন্যদিকে লাল চিহ্নিতটি ‘মাদে সিলাহ ত্বয়িলা’ কারণ তার বাম পাশের শব্দটি শুরু হয়েছে ‘হামজা’ দিয়ে। তাই সেখানে মাদের চিহ্ন দিয়ে ‘৩ আলিফ’ টেনে পড়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাদে মুনফাসিল ও মুত্তাসিল উদাহরণ

  লক্ষ্য করুন, নীল চিহ্নিত দুটি ‘মাদে আসলী’ (যাবারের বামে খালি আলিফ), আর সবুজ চিহ্নিত দুটি ‘হামজা’। ডান থেকে প্রথম ‘মাদে আসলী’র বামে ‘ভিন্ন’ শব্দে ‘হামজা’ থাকায় সেটি ‘মাদে মুনফাসিল’, তাই এর উপর লাল চিহ্নটি দিয়ে ‘৩ আলিফ’ মাদ করা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ২য় ‘মাদে আসলী’র বামে ‘একই শব্দে’ ‘হামজা’ থাকায় সেটি ‘মাদে মুত্তাসিল’, তাই সেটির উপরে হলুদ চিহ্নটি দিয়ে ‘৪ আলিফ’ মাদ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাদে আরজির উদাহরণ

  লক্ষ্য করুন দুই আয়াতের শেষেই লাল চিহ্নিত "মাদে আসলী" আছে, দুই আয়াতের শেষেই দম ফেললে "মাদে আরজি" করতে হবে। কিন্তু তিলাওয়াতকারী প্রথম আয়াতে "দম ফেলেননি" তাই সেখানে তিনি "মাদে আরজি না করে "১ আলিফ মাদে আসলী" হিসাবে পড়ে গেছেন এবং ২য় আয়াতের শেষে "দম ফেলার কারণে" নীল যের'কে "আরজি সাকিন" করে "মাদে আসলীর" ১ আলিফের সাথে আরো ২ আলিফ যোগ করে ৩ আলিফ "মাদে আরজি" আদায় করেছেন।

মাদে লীনের উদাহরণ

  আয়াত দুইটির দুই স্থানে "যাবারের বামে ইয়া সাকিন" আছে, তিলাওয়াতকারী নীল স্থানে "দম না ফেলার কারণে" সেখানে মাদে লীন না করে যা আছে তা'ই পড়েছেন, কিন্তু লাল স্থানে "দম ফেলার কারণে" তিনি হলুদ যেরে আরজি সাকিনসহ ৩ আলিফ মাদে লীন করেছেন।

১ আলিফ মাদে এওয়াজের উদাহরণ

  নীল দুই যাবারে দম না ফেলার কারণে নীল তাশদীদের সাথে মিলিয়ে পড়া হয়েছে আর লাল দুই যাবারে দম ফেলার কারণে ১ আলিফ টেনে মাদে এওয়াজ করা হয়েছে।

১ আলিফ মাদে আসলীর উদাহরণ

  ১ আলিফ মাদে আসলীর উদাহরণ, তবে অন্য আরেকটি ‘মাদের শর্ত’ পূরণ হয়ে যাওয়ায় শেষের মাদটি তিলাওয়াতকারী ‘৩ আলিফ’ দীর্ঘ করেছেন যা ‘মাদে আরজী’র মধ্যে আলোচনা করা হয়েছে।