Skip to main content

মাদে লাযিম হারফি মুখাফফাফ এর উদাহরণ

 

আয়াতটিতে লক্ষ্য করুন, লাল ‘লাম’ অক্ষরটির উপরে ‘৪ আলিফ’ (হলুদ) মাদের চিহ্ন দেয়া আছে, কিন্তু ‘দৃশ্যগতভাবে’ সেখানে কোন ‘মাদ’ দেখা যাচ্ছে না। এটার কারণ হলো, কুরআনে বিভিন্ন সূরা’র শুরুতে ‘যের/যাবার/পেশ’ ছাড়া যে ‘খালি অক্ষরগুলো’ থাকে, সেই ‘অক্ষরগুলো’ স্ব স্ব উচ্চারণে পড়তে হয়। এদিকে আরবী প্রতিটি অক্ষরেরই ‘বানানগত’ রুপ আছে, এবং অক্ষরগুলোর বানানের মধ্যেও যদি কোন ‘মাদের শর্ত’ পূর্ণ হয়, তাহলে সেখানে সে ‘মাদ’ অনুযায়ী ‘টেনে’ পড়তে হয়, উদাহরণস্বরুপ ‘আলিফ’ অক্ষরটির বানান হলো এটা اَلِفْ যেখানে কোন মাদ নেই, যার ফলে উপরের আয়াতের শুরুতে যে ‘খালি আলিফ’ আছে তাতে কোন মাদ চিহ্ন দেয়া হয়নি। এভাবে ‘লাম’ অক্ষরটির বানান হলো এটা لَامْ এখানে লক্ষ্য করুন, নীল অংশটুকু ‘মাদে আসলী’ আর তার বামে আছে ‘সাকিন অক্ষর’, যার ফলে এটা এখন ‘মাদে লাযিমের’ শর্তের সাথে মিলে যাচ্ছে (মাদে আসলীর বামে সাকিন অক্ষর), আর এটা যেহেতু সংগঠিত হচ্ছে ‘হরফ’ বা ‘অক্ষরের’ বানানের মধ্যে তাই একে বলা হয় ‘মাদে লাযিম হারফি মুখাফ্ফাফ’, যা ৪ থেকে ৫ আলিফ পরিমাণ টেনে পড়তে হয়।